দীর্ঘদিনের মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে সবেমাত্র স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছিলেন নাঈম (২৫)। পাবনার হেমায়েতপুরের মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন সংসারও শুরু করেছিলেন। কিন্তু সব স্বাভাবিক চলার মধ্যেই হঠাৎ নাঈমের আকস্মিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ২ নম্বর খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রাজৈর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নাঈম ওই এলাকার আব্দুল হক চৌকিদারের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাঈম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের চেষ্টায় দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। স্বভাবগতভাবে বিনয়ী ও শান্ত নাঈম চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিচিত হওয়া এক তরুণীকে বিয়ে করে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে কোনো কলহ বা অসন্তোষ ছিল না বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর নাঈম কেন এমন চরম পরিণতি বেছে নিলেন, তা নিয়ে হতবাক পরিবার ও এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন জানায়, নাঈমের মৃত্যুর সঠিক কারণ উন্মোচনে আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
খুলনা গেজেট/এনএম

